প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে
উপন্যাস ১২ আগস্ট ২০২৩

ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে

তসলিমা নাসরিন

১২৩ ভিউ
৬২ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
নূপুর খবরটা পায় সকালে। সারাদিন কাউকে জানায় না। কাকেইবা জানাবে! কে তার পাশে এসময়ে দাঁড়াবে! আত্মীয়দের মধ্যে এমন কেউ নেই যে কিনা খবরটা শুনে বিচলিত হবে, মুষড়ে পড়বে, বা চোখের জল ফেলবে। উপদেশ হয়তো কেউ কেউ দেবে। কিন্তু যাদের কোনও কিছু যায় আসেনা যমুনার-কী-হল না-হল’য়, তাদের উপদেশ শোনার চেয়ে, নূপুর ভাবে, তার নিজের যা ভালো মনে হয় তাই করা উচিত। ভেবেও নূপুর জব্বার চৌধুরীকে ফোন করে সন্ধ্যের দিকে। জব্বার চৌধুরীর বয়স প্রায় পঁচাত্তর। খবরটা শুনে জানতে চাইলেন যমুনা আমেরিকায় থাকতো কিনা। ভারতে থাকতো শুনে তাঁর রাগ হয় খুব। বললেন, ‘ইন্ডিয়ায় কেন থাকতে গেছে ? ও কি জানে না ইণ্ডিয়া বাংলাদেশকে পানি দিচ্ছেনা ইন্ডিয়াকে বয়কট করা উচিত ছিল যমুনার'। জব্বার কাকার কথা এরপর আর শুনতে ইচ্ছে করেনি। সুলেখাকে জানায় নূপুর। সুলেখা খালাতো বোন। যমুনার সঙ্গে ভালো যোগাযোগ ছিল দেশে থাকাকালীন। খবরটি যেকোনও খবর শোনার মতোই শুনলো, বললো, ‘সবাইকেই যেতে হবে নুপুর। নিজে কী পূণ্য কামাই করলে, সেটা দেখ। সবাই ইয়া-নবসি-ইয়া-নবসি করবে। যমুনা আজ গেছে, কাল আমরা যাবো'। আহ, সবাইকে যে যেতে হবে, যেন নূপুর একথা আগে জানতো না !

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!