প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

অ্যাণ্ড দেন দেয়ার ওয়াজ নান
অনুবাদ ৩০ জুলাই ২০২৩

অ্যাণ্ড দেন দেয়ার ওয়াজ নান

আগাথা ক্রিস্টি

৮২ ভিউ
৩৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
ট্রেনটা ছুটে চলেছে হাওয়ার বেগে…….

প্রথম শ্রেণীর কামরার এক প্রান্তে বসে আছে মিঃ ওয়ারগ্রেভ, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। হাতে জ্বলন্ত সিগার, চোখের আগ্রহ দৃষ্টি স্থির নিবদ্ধ দি টাইমস-এর রাজনৈতিক সংবাদ-স্তম্ভে।

সিগারের লম্বা একটা টান দিয়ে ভোলা জানালা পথে বাইরে চোখ মেলে তাকালেন ওয়ারগ্রেভ। সবুজ ঘাসে ছাওয়া মাঠের পর মাঠ। মাঠ পেরিয়ে দুরে, বহুদুরে ভূমিতে মাথা নুইয়ে আকাশ যেন বলছে, প্রণমি তোমায়। দৃশ্যটা অপূর্ব। যেন অকৃপণ হাতে সব সৌন্দ বিলিয়ে দিয়েই প্রকৃতি খুশি সেখানে। সামারসেটের এমন প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী সত্যিই অতুলনীয়।

কব্জি ঘড়ির ওপর দৃষ্টি দিলেন ওয়ারগ্রেভ। পৌঁছতে এখনো ঘণ্টা দুয়েক বাকি। তার গন্তব্যস্থল নিগার দ্বীপ। দ্বীপটা যেন রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। প্রায় প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে শুধু একটি নাম নিগার দ্বীপ। আর খবরের কাগজগুলোই বা কি? দ্বীপটা নিয়ে কাগজগুলো কদিন কত রোমাঞ্চকর লেখাই না লিখল। সেই সব লেখাগুলো এক এক করে ভাবতে বসলেন ওয়ারগ্রেভ। সেই কোটিপতি আমেরিকাবাসী, সমুদ্রের জলে ইয়ার্ট চালাতে যিনি ভালোবাসেন, এই মুহূর্তে তার নামটা ঠিক মনে করতে পারলেন না ওয়ারগ্রেভ। সে যাইহোক এই দ্বীপের তিনিই প্রথম মালিক হন। ডিভনের উপকূলে ছবির মতো একটা বিরাট বিলাসবহুল প্রাসাদ বানালেন তিনি ফুর্তিতে কাটানোর জন্যে–এ সব খবরই খবরের কাগজগুলোতে বেরিয়েছে। আরো আছে, লেখার মতো খোরাকও বটে। সেই কোটিপতি আমেরিকাবাসীর ভাগ্য বোধ হয় নেহাতই খারাপ ছিল, তা না হলে তার, তৃতীয় পক্ষের স্ত্রীটি কেনই বা টিকলো না বেশিদিন। ভদ্রলোক মনের দুঃখে তার সেই সাধের দ্বীপটি ছেড়ে একদিন হঠাৎ উধাও হয়ে গেলেন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!