প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

মৃত্যু-রঙ্গিনী
উপন্যাস ২২ আগস্ট ২০২৩

মৃত্যু-রঙ্গিনী

পাঁচকড়ি দে

৪৩ ভিউ
২৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
১৮৮০ সালে, ২রা জুলাই তারিখে রাত্রি আল্ট্রার সময়ে আমার বাহিরের ঘরে আমি বসিয়াছি। এমন সময়ে একজন সাহেব সেই কক্ষে প্রবিষ্ট হইলেন। তাঁহার পোষাক-পরিচ্ছদ ভদ্রলোকের ন্যায় বটে, কিন্তু মুখের চেহারায় তেমন ভাল লোক বলিয়া বোধ হইল না। যাহা হউক, আমি তাহাকে বসিতে বলিলাম।

তিনি বসিয়া আমার দিকে ফিরিয়া বলিলেন, “মহাশয়! আপনাকে এখনই একবার অনুগ্রহ করিয়া আলিপুরে যাইতে হইবে। আমার একজন আত্মীয় অত্যন্ত পীড়িত। বোধ হয়, আপনার সঙ্গে তাঁহার আলাপ আছে, তিনি সময়ে সময়ে আপনার নাম করিতেন বলিয়া তাঁহার স্ত্রীর অনুরোধে আমি আপনাকে ডাকিতে আসিয়াছি।”

আমি। তাঁহার নাম কি?

তিনি। ব্রজেশ্বর রায়।

আমি বলিলাম, “ওঃ! তাঁকে আমি খুব চিনি। তিনি যখন হিন্দুধর্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া খ্রীষ্টিয়ান হয়েন, তখন একটা মহা হুলুস্থুল পড়িয়া গিয়াছিল, তাঁহার আত্মীয়গণ অত্যন্ত রুষ্ট হইয়াছিলেন। তখন আমরা উভয়েই কলেজে একসঙ্গে পড়ি। তার পর আমি ডাক্তারীর দিকে গেলাম, তিনি এম্ এ বি এল, পৰ্য্যন্ত পাশ করিলেন। তিনি উকীল হইলেন, আমি ডাক্তার হইলাম। আদালতে তাঁহার অতি সত্বরই পশার হইল। আমার ধীরে ধীরে উন্নতি হইতে লাগিল। যথেষ্ট অর্থোপার্জ্জন করিয়াও ব্রজেশ্বর রায় কৃপণতা ভুলিতে পারেন নাই। যাহা হউক, এখন তাঁহার কি হইয়াছে কি?”

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!