প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

সহধর্মিণী
উপন্যাস ২২ আগস্ট ২০২৩

সহধর্মিণী

পাঁচকড়ি দে

১১৫ ভিউ
৪১ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
হরকুমার বাবু পশ্চিমে ওকালতী করতেন। ওকালতী করিয়া তিনি প্রচুর অর্থ উপার্জ্জন করিয়াছেন। এক্ষণে তিনি নিতান্ত বৃদ্ধ না হইলেও দুইটী কারণে ওকালতী ছাড়িয়া দিয়া কলিকাতায় লোয়ার সার্কিউলার রোডে একখানি সুন্দর বাড়ী কিনিয়া তথায় বাস করিতেছেন।

এই দুইটী কারণের প্রথম কারণ—তাঁহার স্ত্রী চিরুরুগ্না, বহুকাল হইতে একরূপ শয্যাগতা। পশ্চিমের অত্যধিক গরমে থাকিলে তাঁহার পীড়া বৃদ্ধি পাইবে, বড় বড় ডাক্তারগণ এই কথা বলায় তিনি তাঁহাদের পরামর্শে পশ্চিম-বাস ত্যাগ করিয়া স্ত্রীকে লইয়া কলিকাতায় আসিয়াছেন। দ্বিতীয় কারণ তাঁহার একমাত্র কন্যা হেমাঙ্গিনী প্রাপ্তবয়স্কা হইয়াছে, এক্ষণে তাহার বিবাহ দেওয়া নিতান্ত প্রয়োজন।

হরকুমার বাবু চিরকালই ব্রাহ্মভাবাপন্ন, হিন্দুয়ানীর বড় একটা ধার ধারিতেন না। পশ্চিমে তিনি ঠিক সাহেবের ন্যায় বাস করিতেন। এখানেও তিনি পুরা সাহেব—তিনি বাল্য-বিবাহের একেবারেই পক্ষপাতী ছিলেন না। সেই কারণে কন্যাকে বাল্যকালে অল্প বয়সে বিবাহ দেন নাই—হেমাঙ্গিনীকে যতদূর সুশিক্ষিতা করিতে হয়, তাহা করিয়াছেন। হেমাঙ্গিনী চারুসর্বাঙ্গী—অনিন্দ্যসুন্দরী, তাহার রঙ-টুকুও যেমন ফুটফুটে, গড়নটুকুও তেমনি পরিপাটি। আবার সে যেমন সুন্দরী, তেমনই গুণবতী—লিখিতে পড়িতে গাইতে বাজাইতে, সে সৰ্ব্বপ্রকার সর্ব্বগুণে গুণান্বিতা। এক্ষণে তাহার বয়স ষোড়শবর্ষ উত্তীর্ণ হইয়াছে। এইব হরকুমার বাবু তাঁহার কন্যার বিবাহ দিবেন স্থির করিয়াছেন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!