প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

শৈল-ভবন
উপন্যাস ১৮ আগস্ট ২০২৩

শৈল-ভবন

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

১১৩ ভিউ
৪৬ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
দুই বন্ধু—অজয় আর সমর। যারা দেখে, তারাই বলে, আহা, যেন এক বৃন্তে দুটি ফুল, উপমাটা নিতান্ত সাবেকী। অজয় আর সমর হাসে। কৃপার হাসি। বন্ধুত্বটা তাদের হাওয়ার দোলায় দুলে শুধু বাগানের শোভা বর্ধনই করে না; শেকড় তার মাটির অনেক গভীরে। ক্লাস ফাইভে একদিন তারা পড়ল: উৎসবে ব্যসনে চৈব দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্র বিপ্লবে। রাজদ্বারে শ্মশানে চ যঃ তিষ্ঠতি স বান্ধবঃ ॥

পেছনের বেঞ্চে বসে এখনই সমর পকেট থেকে পেন্সিল কাটা ছুরিখানা বার করল। পেন্সিল কাটা করেই কাটল বাঁ-হাতের তর্জনী। ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটল। শিউরে উঠল অজয়। সমরের মুখে কিন্তু অমলিন হাসি। ধীর কণ্ঠে বলল, চাণক্য পণ্ডিত বাজেবাজেই লেখেননি রে। রক্ত ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা কর, উৎসবে, ব্যসনে, শ্মশানে, রাজদ্বারে—যেখানেই হোক, আমরা কেউ কাউকে ফেলে পালাব না। একজন আর একজনের পাশে এসে দাঁড়াব।

প্রতিজ্ঞা করল অজয়। মনে বিচিত্র এক উত্তেজনা, রক্তে উন্মাদনার ঢেউ। সেদিন অলক্ষ্যে বসে বিধাতা বোধ করি হাসলেন।

স্কুলের গণ্ডী একসঙ্গেই পেরোল তারা। ভর্তি হল একই কলেজে। অবশ্য অজয় নিল কমার্স। তার বাপ রমেন সেনের বিরাট সওদাগরী অফিস। ফলাও ব্যবসা। ভবিষ্যতে অজয়কে বাপের শূন্য সিংহাসনে বসতে হবে। আর সমর গিয়ে ভর্তি হল সায়েন্স ক্লাসে। ডাক্তার হতে হবে তাকে। আগ্রহ তার নিজের যতখানি, তার চেয়ে অনেক বেশি তার অভিভাবকদের।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!