প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

মাই ব্রিফ হিস্ট্রি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ১৬ আগস্ট ২০২৩

মাই ব্রিফ হিস্ট্রি

স্টিফেন হকিং

১২৭ ভিউ
৫৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
আমার বাবা ফ্রাঙ্কের জন্ম ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের এক বর্গাচাষি পরিবারে। তাঁর দাদা, অর্থাৎ আমার প্রপিতামহ জন হকিংকে বেশ সম্পদশালী কৃষকই বলা যায়। কিন্তু একসময় তিনি অনেকগুলো খামার কিনেছিলেন। তাতে এই শতাব্দীর শুরুতে কৃষিমন্দার সময় দেউলিয়া হয়ে যান তিনি। তাঁর ছেলে রবার্ট, মানে আমার দাদা তাঁর বাবাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেও দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলেন। চরম সৌভাগ্যই বলতে হবে, বরোব্রিজে একটি বাড়ির মালিক ছিলেন রবার্টের স্ত্রী। সেই বাড়িতে তিনি একটি স্কুল চালাতেন। সেখান থেকে আয় হতো খুব সামান্যই। তবু কোনোমতে ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাতে পেরেছিলেন তাঁরা। সেখানে চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ে পড়ালেখা করেছিলেন তিনি।

পরপর বেশ কয়েকটি স্কলারশিপ ও পুরস্কার জিতেছিলেন আমার বাবা। তাই তাঁর পিতা-মাতাকে টাকা পাঠাতে পারতেন। পরে তিনি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার চিকিৎসাবিদ্যা (ট্রপিক্যাল মেডিসিন) বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন। এ গবেষণার অংশ হিসেবে ১৯৩৭ সালে পূর্ব আফ্রিকায় ভ্রমণ করেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইংল্যান্ডে ফেরার জন্য জাহাজ পেতে স্থলপথে ও কঙ্গো নদী ধরে পুরো আফ্রিকা ঘুরতে হয়েছিল বাবাকে। দেশে ফিরে তিনি সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দেন। অবশ্য তাঁকে বলা হয়েছিল, চিকিৎসাবিদ্যায় গবেষণা করাটাই তাঁর জন্য বেশি ভালো হবে।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!