প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

যুগলবন্দী
গোয়েন্দা ২৭ আগস্ট ২০২৩

যুগলবন্দী

নীহাররঞ্জন গুপ্ত

১৩২ ভিউ
৫১ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
ঘরটা অন্ধকার।

এখনও রাত্রি—বোধ করি আটটা হবে। দিনের বেলাতেও ডাঃ মনসিজ দাশগুপ্তের এই ঘরে আলো প্রবেশের কোন সম্ভাবনা নেই। সমস্ত জানালা দরজায় ভারী পর্দা ঝোলানো। পর্দার ওপাশে বাইরের কাঁচের শার্সিও বন্ধ। আলো তো নয়ই—শব্দও বড় একটা এ-ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে না। তা ছাড়া ঘরটা দোতলায়—নীচের রাস্তা থেকে অনেকটা উঁচুতে। ঘরের এক কোণে দেওয়ালের গায়ে একটা ছোট্ট লাল ইলেকট্রিক বাল্ব জ্বলছিল—আলোর চারপাশে অন্ধকার দেওয়ালে একটা ঝাপসা লাল আলোর ছায়াপথ যেন সৃষ্টি করেছে।

একটা হাইব্যাক চেয়ারের উপরে সেই অন্ধকার ঘরে বসেছিল গা এলিয়ে অনন্য। বয়স খুব বেশী নয়—চৌত্রিশ কি পঁয়ত্রিশ হবে। মাঝারি সাইজ লম্বায়—বেশ বলিষ্ঠ গঠন, পরনে দামী একটা টেরিটের প্যান্ট ও গায়ে একটা টেরিলিনের হাওয়াই শার্ট। ডাঃ দাশগুপ্তের নির্দেশমতই অনন্য ঐ চেয়ারটার উপর বসে দূরের লাল আলোটার দিকে তাকিয়ে ছিল। লাল আলোটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অনন্যর দুচোখের পাতা যেন ভারী হয়ে বুজে আসতে চাইছিল। কেমন যেন ঘুম ঘুম পাচ্ছিল। চোখ মেলে থাকতে পারছিল না অনন্য। অল্প দূরে একটা টুলের উপর বসে ডাঃ দাশগুপ্ত। কলকাতা শহরের নামকরা একজন মনোবিজ্ঞানী। নামের শেষে অনেকগুলো বিলাতী ডিগ্রীর লেজুড় আছে। বয়স প্রায় পঞ্চাশের মত, উঁচু লম্বা দেহের গঠন। ব্যক্তিত্বপূর্ণ চেহারা। দৃঢ়বদ্ধ নাসা ও ওষ্ঠ। ধারালো চিবুক, বৃষ-স্কন্ধ। চওড়া বক্ষপট।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!