প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

ব্ল্যাকহোল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ১৬ আগস্ট ২০২৩

ব্ল্যাকহোল

স্টিফেন হকিং

১৬০ ভিউ
৬৪ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
কথায় বলে, বাস্তব ঘটনা নাকি মাঝেমধ্যে কল্পনাকেও হার মানায়। কথাটি সবচেয়ে সত্য বলে মনে হয় ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের বেলায়। বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখকদের কল্পলোকে দেখা যেকোনো কিছুর চেয়েও কৃষ্ণগহ্বর অনেক বেশি অদ্ভুতুড়ে। তারপরও এটি যে বৈজ্ঞানিক সত্য, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বৈজ্ঞানিক সমাজ ধীরে ধীরে বুঝতে পেরেছিল, অতি ভারী নক্ষত্রগুলো তাদের মহাকর্ষের প্রভাবে নিজেদের ওপরেই ভেঙে পড়তে বা চুপসে যেতে পারে। এরপর সেখানে পড়ে থাকা অবশিষ্ট বস্তুর আচরণ কেমন হবে, তা-ও একসময় বুঝতে পারেন বিজ্ঞানীরা।

আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯৩৯ সালে এক গবেষণাপত্র দাবি করেন, নক্ষত্ররা নিজেদের মহাকর্ষের অধীনে কখনোই চুপসে যেতে পারে না। কারণ, পদার্থ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু বা সীমার পর আর সংকুচিত হতে পারে না বলে মনে করতেন তিনি। সেকালে আইনস্টাইনের এই অনুমানের সঙ্গে একমত হন বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী। তবে এ ক্ষেত্রে প্রধানতম ব্যতিক্রম ছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার। নানা কারণে তিনি কৃষ্ণগহ্বরবিষয়ক কাহিনির নায়ক। ১৯৫০-এর দশক এবং ১৯৬০-এর দশকে তাঁর গবেষণায় তিনি জোর দিয়ে বলেন, অনেক নক্ষত্রই ক্রমান্বয়ে চুপসে যায়। এরপর এ বিষয়ে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার জন্য সম্ভাব্য সব রকম বিব্রতকর সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন তিনি। এ ছাড়া চুপসে যাওয়া নক্ষত্র থেকে তৈরি হওয়া ওই সব বস্তু বা কৃষ্ণগহ্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কেও তিনি আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করেন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!