প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

অ্যাস্ট্রোফিজিকস
অনুবাদ ১৬ আগস্ট ২০২৩

অ্যাস্ট্রোফিজিকস

নিল ডিগ্রেস টাইসন

১৭০ ভিউ
৮৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
আমার বয়স তখন সবে ৯ বছর। সেই বয়সেই সিদ্ধান্ত নিই, আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানী হব। আমার এখনো ওই রাতের কথা মনে আছে। তারায় তারায় ছেয়ে গিয়েছিল গোটা আকাশ। বিগ আর লিটল ডিপারস। বৃহস্পতি ও শনি গ্রহ। দিগন্তের দিকে বিদ্যুতের মতো ছুটে গেল একটা উল্কা। আমার কাছে মনে হলো, যেন আকাশ চিরে একখণ্ড মেঘ চলে গেল আরেক প্রান্তে। কিন্তু ওটা আসলে নিছক কোনো মেঘ ছিল না। আমাদের অতি নিকট মহাজাগতিক প্রতিবেশী মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির দিকে তাকালাম। বাংলায় যাকে বলে আকাশগঙ্গা ছায়াপথ। ১০০ বিলিয়ন নক্ষত্র দিয়ে ভরা মহাকাশের একটা এলাকা ওটা। বিস্মিত চোখে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এসব দেখলাম আমি।

এরপর আবারও আলো জ্বলে উঠল দপ করে। নিজেকে আবিষ্কার করলাম আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির প্লানেটারিয়ামে বসে থাকা অবস্থায়। আমি এতক্ষণ যা দেখছিলাম, সেটা আসলে ছিল একটা স্টার শো। কিন্তু তাতে এর প্রভাব বাধাগ্রস্ত হয়নি। ওই রাতে আমি বুঝে ফেলি, বড় হয়ে কী হতে চাই। আমি হতে চাই একজন অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট বা জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।

সে সময় এই শব্দটাও ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারতাম না। কিন্তু ওটা আসলে কিছুটা সাধারণ ধারণা। জ্যোতিঃপদার্থ হলো গ্রহ, নক্ষত্র ও আমাদের মহাজাগতিক বস্তুগুলো এবং তারা কীভাবে কাজ করে ও পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে, তা নিয়ে গবেষণা করা।

কৃষ্ণগহ্বর নামের দানব নিয়ে গবেষণা করেন জ্যোতিঃপদার্থবিদেরা। আলো ও পদার্থের নাগাল পেলেই এরা তার সবটুকু শুষে নেয়। আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করি সুপারনোভার লক্ষণের খোঁজে। মৃত্যুমুখী নক্ষত্রের উজ্জ্বল বিস্ফোরণই হলো সুপারনোভা বা অতি নবতারা।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!