প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

সেই কুয়াশা (২য় খণ্ড)
এডভেঞ্চার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সেই কুয়াশা (২য় খণ্ড)

কাজী আনোয়ার হোসেন

১৫৩ ভিউ
৭০ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
ভিয়া ফ্রাঙ্কাতি-তে দামি একটা রেস্তোরাঁ আছে, লুচিনি নামের তিন ভাই সেটার মালিক, যদিও রেস্তোরাঁ চালায় স্রেফ বড়জন। চতুর শেয়ালের মত স্বভাব, তবে সাদাসিধে চেহারা আর নিষ্পাপ অভিনয়ের মুখোশ দিয়ে নিজের আসল চরিত্র লুকিয়ে রাখায় সে ওস্তাদ। রোমের উঁচুমহলের লোকজনের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র এই লুচিনি, কারণ গোমর রক্ষার ব্যাপারে তার জুড়ি হয় না। উঁচু স্তরের দালাল হিসেবে কাজ করে সে, তার মাধ্যমেই যোগাযোগ রক্ষা করে অগণিত মানুষ—তাঁদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের জালে জড়ানো প্রেমিক-প্রেমিকা যেমন আছে, তেমনি আছে অসৎ সরকারি কর্মকর্তা আর অন্ধকার জগতের মানুষ। অনিশ্চয়তা আর অবিশ্বাসের সাগরে সে যেন এক অনড় দ্বীপ, যেখানে ভিড় জমায় সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকা মানুষেরা।

লুচিনিকে বহুদিন থেকেই ইনফর্মার হিসেবে ব্যবহার করছে মাসুদ রানা, সে-ও টাকার বিনিময়ে খুশিমনেই কাজ করছে ওর হয়ে। এমন কোনও খবর নেই, যা তার কাছে পাওয়া যায় না। যে-কোনও গুজব, বা কানাঘুষোর আড়ালে কতখানি সত্য লুকিয়ে আছে, তা একমাত্র লুচিনি-ই বলতে পারে। বিয়াঞ্চি পরিবারের বংশধরদেরকে ট্র্যাক করবার জন্য তার সাহায্য নেবার কথা এমনিতেই ভাবছিল রানা, সোনিয়া মাযোলার সঙ্গে কথা বলবার পর লুচিনির সঙ্গে যোগাযোগ করাটা একেবারে অপরিহার্য হয়ে, পড়েছে। বিয়াঞ্চি পরিবার এখন বিয়াঞ্চি-পাভোরোনি নামে- পরিচিত। ওই সার্কেলের খোঁজখবর নিতে হলে ধূর্ত রেস্তোরাঁমালিকের কাছে যাওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই। ওখানেই আজ দুপুরে লাঞ্চ সারবে বলে ঠিক করেছে ও।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!