প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

মহাপ্লাবন
এডভেঞ্চার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মহাপ্লাবন

কাজী আনোয়ার হোসেন

১৩৭ ভিউ
৬৪ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
ঘোড়ায় চেপে তুমুল বেগে দুই সেনাবাহিনী মুখোমুখি হতেই চারপাশ ভরে উঠল তলোয়ারের ঝনঝনাৎ আওয়াজে।

সময়টা পনেরো শ’ চৌষট্টি সাল।

মধ্য জাপানের পাহাড়ি এলাকা।

স্যাডলে ঝুঁকে নৈপুণ্যের সঙ্গে লড়ছে পাখোয়াজ যোদ্ধা ইউসেই হায়াশি। আক্রমণ এলে ঠেকিয়ে দিচ্ছে শত্রুর তলোয়ার বা বর্শা, দেরি হচ্ছে না পাল্টা হামলা করতে। বিশ্ববিজয়ী সম্রাট অ্যালেক্যাণ্ডারের মতই নিখুঁত তার তলোয়ারবাজি। ঘোড়া নিয়ন্ত্রণের জন্যে স্পার নেই, কারণ ওগুলো ব্যবহার করে না সামুরাই যোদ্ধারা।

রঙচঙে আর্মার পরনে ইউসেই হায়াশির দু’কাঁধে কাঠের বোর্ড, হাতে ভারী গ্লাভ, মাথায় স্ট্যাগ হরিণের শিংওয়ালা শিরস্ত্রাণ। হাতের চকচকে কাতানা থেকে ছিটকে উঠছে সূর্যের সোনালি আলো।

কবজির মোচড়ে কাছের আক্রমণকারীকে নিরস্ত্র করল হায়াশি, পরক্ষণে উল্টো দিকে গেল তলোয়ারের ফলা। তাতে দু’টুকরো হলো আরেক শত্রুর অস্ত্র। লোকটা ঘোড়া নিয়ে পালিয়ে যেতেই বর্শা হাতে হায়াশির ওপর হামলে পড়ল তৃতীয় শত্রু। ধারালো ফলা হায়াশির পাঁজরে গাঁথতে চাইলেও সেটা ঠেকাল ভারী ধাতুর বর্ম, অক্ষত রয়ে গেল সামুরাই যোদ্ধা। পরক্ষণে ঘুরেই প্রচণ্ড বেগে শত্রুর মাথায় কোপ বসাল সে। মাথা থেকে শুরু করে বুক পর্যন্ত দু’ভাগ হলো শত্রুর দেহ।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!