প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

মসলার যুদ্ধ
ইতিহাস ও ঐতিহ্য ০৫ আগস্ট ২০২৩

মসলার যুদ্ধ

সত্যেন সেন

৫৪ ভিউ
২৩ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
১৪৮৮ খ্রীষ্টাব্দের কথা বলছি। কালিকটের বন্দরে অজস্র জাহাজের ভিড়। ছোট, বড় নানা আকারের নানা রকমের পালতোলা জাহাজ বাণিজ্যের পসরা বয়ে বন্দর ছেড়ে দেশবিদেশে যাত্রা করছে। পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ চারদিক থেকে জাহাজের পর জাহাজ এসে ভিড়ছে। কালিকটের বন্দর নিমেষ মাত্র বিশ্রাম পায় না। প্রতিটি জাহাজের সামনে নিশান ওড়ে। বন্দরের লোকেরা তাই দেখে দূরে থাকতেই বলে দিতে পারে, কোনটা কোন দেশের জাহাজ। আরব বণিক, হিন্দু বণিক, গুজরাটের মুসলমান বণিক, এদের জাহাজই সংখ্যায় বেশী। চীনা বণিকদের জাহাজের আসা যাওয়া আছে। তাছাড়া এদিক ওদিক থেকে আরও জাহাজ যাতায়াত করে। কিন্তু আরবের বণিকরা সমস্ত বণিকদের ছাড়িয়ে উঠেছে। বাণিজ্যে তাদের সঙ্গে কেউ এঁটে উঠতে পারে না।

ভারতবর্ষের দক্ষিণতম প্রান্তে বর্তমান ব্যাঙ্গালোর থেকে কুমারিকা প্ৰণালী পর্যন্ত আরব সাগর-তীরবর্তী যেই ভূভাগ তার নাম মালাবার বা কেরল। এই ভূভাগের পূর্বদিকে হিন্দু রাজ্য বিজয়নগর। দুয়ের মাঝখানে দুর্ভেদ্য পশ্চিমঘাট পর্বতমালা। এই মালাবার অঞ্চল বহু প্রাচীন কাল থেকেই গোলমরিচের দেশ বলে খ্যাত। দু’হাজার বছর ধরে এখানকার বণিকরা মসলাপাতি, বস্ত্র, মণিমুক্তা, গজদন্ত প্রভৃতি পণ্যে জাহাজ বোঝাই করে নিয়ে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে বাণিজ্য করে আসছে। মালাবার অঞ্চলে কতগুলো ছোট ছোট স্বাধীন রাজ্য ছিল। পশ্চিমঘাট পর্বতমালার নিরাপদ আড়ালে তারা আপনাদের স্বাধীনতা রক্ষা করে চলতে পেরেছে। এই রাজ্যগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে কালিকট। কালিকটের রাজার বংশগত নাম জামোরিন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!