প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

ভিখারীর আত্মকাহিনী
দর্শন ২৮ জুলাই ২০২৩

ভিখারীর আত্মকাহিনী

আরজ আলী মাতুব্বর

১২১ ভিউ
৫৬ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
শহর বরিশালের প্রায় ছয় মাইল উঃ পূঃ দিকে কীর্তন খেলা নদীর পশ্চিম তীরে চর বাড়ীয়া লামচরি গ্রামটি অবস্থিত। সাধারণ্যে ইহা “লামচরি” নামে পরিচিত। গ্রামটির বয়স দেড়শত বছরের বেশী নয়। গ্রামটি ছিল খুবই নীচু, বছরের অধিকাংশ সময়ই থাকত জলমগ্ন। তাই এর নামকরণ হয়- “লামচরি” অর্থাৎ নীচু চর। এ গ্রামে লোকের বসবাস শুরু হয় মাত্র ১১৬২ সাল হতে। নবাগত বাসীন্দারা সমস্তই ছিলেন কৃষক। এই নবাগতদের মধ্যে একজন মধ্যবিত্ত কৃষক ছিলেন আমান উল্লাহ্ মাতুব্বর এবং তার তৃতীয় পুত্র এন্তাজ আলী মাতুব্বর আমার পিতা। মা বলেছেন আমার জন্ম ১৩০৭ সালের ৩রা পৌষ।

চরম দুর্দিন
লামচরি মৌজাটি ছিল লাখুটিয়ার রায়বাবুদের জমিদারীর অধীন। আমার চার বছর বয়সের সময় অর্থাৎ ১৩১১ সালে আমার পিতা পরলোকগমন করিলে ১৩১২-১৩১৫ সাল পর্যন্ত বাকি খাজানায় নালিশ করে ১৩১৭ সালে রায়বাবুরা আমার ভূসম্পত্তিটুকু নীলাম-খরিদ করে নেন এবং; কর্জ-দেনার দায়ে বসত ঘরখানা নীলাম করে নেন বরিশালের কুখ্যাত কুসীদ জীবি জনাৰ্দন সেন ১৩১৫ সালে। বিত্ত ও গৃহহীনা হয়ে অতিকষ্টে বিধবা মাতা রবেজান বিবি আমাকে প্রতিপালন করতে থাকেন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!