প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

পঞ্চাশটি গল্প
গল্প ২৭ নভেম্বর ২০২৩

পঞ্চাশটি গল্প

বিমল কর

১৫৩ ভিউ
৭০ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
অল্পের জন্য বেঁচে গেছে যতীন।

আর-একটু হলেই ডান হাতের আঙুল ক’টা ওর ইঁদুর-মারা কলে থেঁতলে যেত। র‍্যাশন-আনা ক্যাম্বিসের থলেটা বার করতে হাত বাড়িয়েছিল বেঞ্চির তলায়। কে জানত, ওরই তলায় ওত পেতে বসে আছে সর্বনেশে কলটা। লোহার ধারালো দাঁত আঙুলে ফুটতেই চট করে হাত সরিয়ে নিয়েছে, তাই না রক্ষে।

সাবধানে কলটাকে বাইরে টেনে আনে যতীন। তীক্ষ্ণদন্ত ইস্পাতের যন্ত্রটা হাঁ করে রয়েছে; সদ্য-ধার-দেওয়া অর্ধচন্দ্রাকার দুটি করাতের ফলা শিকার ধরার সম্ভাবনায় তখনও অপেক্ষমান।

“কই শুনছ, শীঘ্রি একবার এস তো এখানে !” রুক্ষ গলায় হাঁক পাড়ে যতীন।

সামনে দালানে বসে বাসী রুটিগুলো দালদায় ভেজে নিচ্ছে মলিনা। বসে বসেই উত্তর দেয়, “আমার হাত জোড়া। কী বলছ বলো ?”

“এখান থেকে বললেই যদি হবে তবে তোমায় সোহাগ করে ডাকছি কেন ? ঘরে এসে স্বচক্ষে তোমার কাণ্ডটা একবার দেখে যাও।”

যতীনের তাগিদ গ্রাহ্যের মধ্যে আনে না মলিনা। পরিপাটি করে স্বামীর জলখাবারের থালা গুছোয়। দালদায় লালচে করে ভাজা খানচারেক বাসী রুটি, দু-টুকরো বেগুন ভাজা, একটু গুড়।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!