প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

গুপির গুপ্তখাতা
গল্প ০৭ আগস্ট ২০২৩

গুপির গুপ্তখাতা

লীলা মজুমদার

১৫৭ ভিউ
৫০ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
অনেকদিন আগের ঘটনা, ভুলে যাব মনে করে সব এই লিখে দিলাম। রোজরোজ একরকম হত, হঠাৎ একদিন এমনি হল যে মনে করলে এখনো গা শিরশির করে।

একটা গাড়িতে ঠানদিদি, শ্যামাদাসকাকা, বিরিঞ্চিদা আর আমি।

গাড়ি চলেছে তো চলেইছে, থামবার নামটি করে না। এদের কি খিদে তেষ্টাও পায় না? সঙ্গে কিছু নেই তা তো নয়। ঐ টিফিনক্যারিয়ার একদম বোঝাই করা এই বড়-বড় চপ লুচি আলুরদম শোনপাপড়ি।

খিদের চোটে পেটটা ব্যথা-ব্যথা করছে। উঠেছি সেই কোন ভোরে। তত সকালে কখনো আমার ঘুম ভাঙে না। কাকেরা ডাকে নি, যারা রাস্তায় জল দেয় তারা আসে নি, আকাশ তখনো নীল হয় নি, তারারা নেবে নি, বগাই ওঠে নি, খাটের পায়ার কাছে নাক ডাকাচ্ছে আর ঘুমের ঘোরেই একটু একটু ল্যাজ নাড়াচ্ছে।

বগাইয়ের জন্য খুব খারাপ লাগছে। বেশ আমার পাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে থাকত। কাউকে কিছু করত না।

অত ভোরে উঠতে হয় না। পাশ ফিরে আবার ঘুমুতে যাব, এমনি সময় কানে এল খুটখুট ঠুকঠাক গুজগুজ ফিসফিস। মনে হল ঘর কথা কইছে, ঘরের বাইরের কেষ্টচূড়োর গাছ কথা কইছে। এত কথা বলাবলির মধ্যে ঘুমুই কি করে?

উঠে পড়লাম। দোর-গোড়ায় গিয়ে দেখি কিনা আমার ঠানদিদি সারা গায়ে চাদর মুড়ি দিয়ে, মস্ত এক পুঁটলি বগলে ফস্ ফস্ করে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে যাচ্ছেন।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!