প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

আপনমনে
জীবনী, স্মৃতিচারণ ২৩ জুলাই ২০২৩

আপনমনে

রবি ঘোষ

৭২ ভিউ
৩২ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
বাংলা ছবির জগতে কোনওদিনই কমেডিয়ানের অভাব ঘটেনি। তবে কমেডি প্রকাশের ধরন সময়ের সঙ্গে অবশ্যই পালটেছে। বাঙালির একসময়ে রসালাপের স্বাভাবিক প্রবণতা যা ছিল, তার রূপই প্রধানত প্রকাশ পেত প্রথমদিকের কমেডিয়ানদের মধ্যে থেকে। অর্থাৎ সংলাপ-নির্ভর কমেডি। কথা বলার ধরন, শব্দ নির্বাচন বা কোনও বিষয়কে মজার মোড়কে পুরে অসামান্য উপস্থাপন, মোটামুটি এটাই ছিল কমেডি-অভিনয়ের মূল ভিত্তি। ক্রমশ যত সময় এগোতে থাকল, দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে বিদেশি সংস্কৃতির পরিচয় বেড়ে চলল, পাশ্চাত্য চলচ্চিত্র চর্চার ক্ষেত্রও একটা তৈরি হল। এদেশীয় অভিনেতা- অভিনেত্রীদের অভিনয়-ধরনেও এর ছাপ লাগতে শুরু করল। এর সঙ্গে যুক্ত হল রাজনৈতিক ধ্যানধারণার নতুন নতুন উন্মেষ। সিনেমা-থিয়েটারের রূপ বদলাতে শুরু করল। কমেডি অভিনয়ে গ্রেট চার্লি চ্যাপলিনের প্রভাব পড়ল সর্বাধিক। বাংলার অভিনয়জগতে যশস্বী তুলসী চক্রবর্তীকে আলোচনার ঊর্ধ্বে রেখে বলা যায়, প্রথম কমেডি অভিনয়ে এক পরিবর্তন দেখা গেল ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ও জহর রায়ের মতো দুই অসাধারণ অভিনেতার মধ্যে। এনারা দেখালেন সংলাপের সঙ্গে অসামান্য শারীরিক অভিনয়। অর্থাৎ কথার সঙ্গে নাচ-গান-নানারকম অঙ্গভঙ্গির মারফত কমেডির উপস্থাপন (জহর রায় তো অভিনয়জগতে আসার আগে থেকেই চার্লিকে গুরু মানতেন)। বোঝাই যাচ্ছে, এই পরিবর্তন পাশ্চাত্য প্রভাবজনিত। এই কমেডি অভিনয়ের ধরনই আরেক রূপে যেন পরিপূর্ণতা পেল রবি ঘোষে পৌঁছে। এই অসম্ভব প্রতিভাবান অভিনেতা নিজেকে অনেক অর্থেই করে তুললেন ব্যতিক্রমী। কেন?

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!