প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

অপহরণ (১ম খণ্ড)
এডভেঞ্চার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অপহরণ (১ম খণ্ড)

কাজী আনোয়ার হোসেন

১১৬ ভিউ
৪৮ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
দু’পা হাঁটছে, থামছে-একে ঠিক পায়চারি বলে না। অস্থির, আড়ষ্ট একজন লোক। এখন বেশ ভালই ফুটেছে ভোরের আলো, গবাক্ষ, গরাদহীন জানালা, চওড়া কার্নিস, ঝুল-বারান্দা, মিনার আর গম্বুজ আকৃতির ছাদ, কামান বসাবার সার সার চৌকো গর্ত, ইত্যাদি নিয়ে আকাশ ছোঁয়া দুর্গটা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হলো তার পিছনে। নারেসবরো গ্রাম থেকে বাঁক নিয়ে ক্রমশ ওপর দিকে উঠতে শুরু করে দুর্গের সামনে পৌচেছে রাস্তাটা, সেদিকে বার বার তাকাল রিচার্ডসন।

ভাঙাচোরা নিষ্প্রাণ দুর্গ, এপ্রিলের ভেজা ভেজা ভোরের আকাশে হেলান দিয়ে মুখ ভেঙচে আছে। বলা চলে পরিত্যক্ত ধ্বংসাবশেষ। ভারী, গম্ভীর চেহারার ফটকগুলোয় কোন্ কালে এক একটা আধমণ ওজনের তালা ঝোলানো হয়েছিল, শুধু মরচেই ধরেনি, চাবি ঢোকাবার ফুটোগুলো ধুলো ঢুকে বুজে গেছে। দুর্গটার ঐতিহাসিক গুরুত্ব খুব সামান্যই, ব্রিটিশ পর্যটন পুস্তিকায় খুঁজলে পরিচয় ইত্যাদি সম্পর্কে দু’একটা লাইন পাওয়া গেলেও যেতে পারে। কাছ থেকে দেখলে নিঃসঙ্গ মনে হয় দুর্গটাকে, সময়ের সীমানা পেরিয়ে এসে বোবা পাথর বনে গেছে। এক সময় ভয়াবহ রক্তপাত ঘটেছে এখানে, পদাতিক সৈন্যরা ঝাঁক বেঁধে আসা-যাওয়া করেছে, খটাখট খটাখট ঘোড়ার খুরের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেছে দুর্গরক্ষীদের, কামানের মুহুর্মুহু গর্জনে কেঁপে কেঁপে উঠেছে গোটা এলাকা। একদিন সবই ছিল, আজ কিছুই নেই।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!