প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

আমি সরদার বলছি
জীবনী, স্মৃতিচারণ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আমি সরদার বলছি

সরদার ফজলুল করিম

১২৭ ভিউ
৩৮ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
চল্লিশের দশকের ঢাকা–এই শিরোনাম আমার মনে অনেক দিন ধরেই বেশ আলোড়ন তুলে চলেছিলো। ওই দশকের লোকজন আমাদের পরিচিত মহলে আজ একেবারেই কমে গেছেন। চল্লিশের দশকের ঢাকা, বিশেষ করে সে সময়কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, তখনকার সক্রিয় পরিচিত প্রগতিশীল তরুণ ছাত্রদের প্রসঙ্গ, বিশিষ্ট শিক্ষকদের কথা স্মরণ করা এবং বর্তমানের তরুণদের কাছে সেসব জানানোর একটা প্রয়োজন ও গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমান অবশ্যই বর্তমানের হাতে। বর্তমানের যুবক আর তরুণরাই বর্তমানের মীমাংসাকারী শক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি। এই বর্তমান অবশ্যই নতুন। এরা চল্লিশে ছিলো না। চল্লিশে এদের জন্মই হয় নি। চল্লিশে যাদের জন্ম হয়েছে তাদের বয়সই এখন, এতো বছর পরে পঞ্চাশের ওপর। এই বয়সের ব্যক্তিরাও আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এদের কেউ সমর অধিনায়ক, কেউ বা সেক্রেটারিয়েটের কর্মকর্তা, অনেকে রাজনৈতিক নেতা, অধ্যাপক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী। তবু এরা চল্লিশের দশককে সচেতনভাবে প্রত্যক্ষ করেন নি। অথচ চল্লিশের দশকের যে সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ভাবনা-ধারণা-চিন্তা, তারই ফসল, তারই সৃষ্টি এরা। কিন্তু এই চল্লিশের দশকের ঢাকার জীবন সম্পর্কে বর্তমানের একজন প্রৌঢ়ের যেমন কোন অন্তরঙ্গ ধারণা নেই, তেমনি বর্তমানের তরুণদের কাছে চল্লিশের দশক একেবারেই অতীত ইতিহাসের ব্যাপার। কেবল যে অতীত ইতিহাসের ব্যাপার তাই নয়, অজ্ঞাত এক ইতিহাস।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!