প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা
সভ্যতা ও সংস্কৃতি ২০ আগস্ট ২০২৩

মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা

অতুল সুর

২৬৯ ভিউ
৩৭ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘মহাভারত মাত্র মহাকাব্য নয়, ইহা আমাদের জাতীয় ইতিহাস। ইহা কোনো ব্যক্তিবিশেষের ইতিহাস নহে, ইহা একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস।’ সেই ইতিহাস যে পাঁচ হাজার বৎসর পূর্বের, তা ডক্টর অতুল সুর এই বইয়ে দেখিয়েছেন। তিনি নৃতাত্ত্বিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, জ্যোতিষিক ও মহাভারতের অভ্যন্তরীণ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রমাণ করেছেন যে মহাভারতের আদিম কাহিনিসমূহ সিন্ধুসভ্যতার সমসাময়িক বা তারও আগেকার যুগের। তার মানে আমরা ভারতের ইতিহাস লেখার সময় যে বলি, বৈদিক যুগের পর মহাকাব্যিক যুগের সভ্যতার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল তা ভুল। মহাকাব্যিক যুগের সভ্যতাকে বৈদিক যুগের আগে স্থান দিয়ে, ভারতের ইতিহাস এখন নতুন করে লিখতে হবে।

বইখানা সম্বন্ধে প্রখ্যাত ঐতিহাসিক নিশীথরঞ্জন রায় ‘যুগান্তর’ পত্রিকায় লিখেছেন— ‘গ্রন্থকার তাঁর পাণ্ডিত্য বলে মহাভারতীয় এবং সিন্ধুসভ্যতার যুগের সামাজিক আচার-বিহার, চালচলন ইত্যাদির মধ্যে সাদৃশ্যের যে চিত্র এঁকেছেন তা শুধু মহাভারতের সাক্ষ্য-প্রমাণের উপর নির্ভরশীল নয়। তার সমর্থনে তিনি প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান যথেষ্ট পরিমাণে কাজে লাগিয়েছেন। গ্রন্থকার আলোচনা করেছেন বহু তথ্য, অবতারণা করেছেন বহু প্রশ্নের, এবং তার যথাযথ উত্তরও দিয়েছেন। দু-একটি জায়গায় পুনরুক্তি সত্ত্বেও অভিজ্ঞ নৃতাত্ত্বিক তাঁর বক্তব্যকে দাঁড় করিয়েছেন আঁটসাঁট যুক্তির ভিত্তিতে। অবশ্য তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্তই নির্বিবাদে সকলে মেনে নেবেন এমন সম্ভাবনা আশা করি না। এ সম্পর্কে পণ্ডিতমহলে যদি মতানৈক্য দেখা দেয়, তাতে বিস্ময়বোধের কোনো কারণ নেই। ড. সুরের বইটি সম্পর্কে ব্যক্তব্য এই যে, এতে একসঙ্গে বহু তথ্যের সমাবেশই শুধু পাওয়া যাবে না, নতুন চিন্তার খোরাকও পাওয়া যাবে প্রচুর মাত্রায়।’

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!