প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

গজ উকিলের হত্যা রহস্য
রহস্য রোমাঞ্চ ০৩ আগস্ট ২০২৩

গজ উকিলের হত্যা রহস্য

আশাপূর্ণা দেবী

৭৪ ভিউ
২৯ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
দুম করে একেবারে পাশের ফ্ল্যাটে এক ভয়াবহ খুন হয়ে যাওয়ায় গুপি মোক্তার যেন বেভ্যুল হয়ে গেলেন। হবারই কথা, ব্যাপারটা শুধু ভয়াবহই নয়, রোমহর্ষকও।

গজপতি উকিলের লম্বা-চওড়া দশাসই চেহারাখানি পাড়ার মধ্যে একটি প্রসঙ্গ ছিল, সেই তাগড়াই লোকটাকে কিনা দিনে দুপুরে শুধু গলায় একখানা গামছা বেঁধে, যাকে বলে ‘নিহত’ করে রেখে, কে বা কারা কে জানে তার লোহার আলমারির লকার খুলে যথাসর্বস্ব নিয়ে হাওয়া হয়ে গেল, কেউ টের পেল না!

একেবারে পাশের ফ্ল্যাটের গুপি মোক্তারও না। ভাবা যায়? তবু সেটাই শেষ কথা নয়।

বেভ্যুল হবার আরও কারণ আছে। ঘটনাটা যখন ঘটে, ঠিক তার ঘণ্টা দুই আগে গুপি মোক্তার নিজের ফ্ল্যাট থেকে ও ফ্ল্যাটে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাবা খেলে এসেছেন।

আরও খেলতেন হয়তো, গজপতি তো ছাড়তেই চাইছিলেন না, ‘আর একটা দান হয়ে যাক না'—বলে ফের বোড়ে ঘোড়া নৌকো মন্ত্রী নিয়ে সাজাতে বসছিলেন। কিন্তু এদিক থেকে গেনুপিসির ঘন ঘন ডাকাডাকি হাঁকাহাঁকিতে বাধ্য হয়ে উঠে আসতে হয়েছে গুপিবাবুকে।

গেনুপিসি ছাড়া ত্রিভুবনে আর তো কেউ নেই গুপি মোক্তারের, তাই তাঁর শাসনেই চলতে হয় বেচারাকে, তার হেফাজতেই থাকতে হয়। কাজেই গজপতি উকিলের মতো সকাল থেকে দুপুর, আর দুপুর গড়িয়ে বিকেল অবধি দাবা খেলা গুপি মোক্তারের চলে না। একটু এদিক-ওদিক হলেই প্রথমে চলে আসে চাকর মলয়কুসুম; গভীর গম্ভীর গলায় বলে, “বাবু, ঠাকুমা তপ্ত হয়েছেন।”

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!