প্রিয় পাঠক!

জ্ঞান বিতরণের এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। এই লাইব্রেরিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে সার্ভার খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের অর্থের প্রয়োজন। আপনার আমাদের এই উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে এবং আরও নতুন বই সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।

ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে
এডভেঞ্চার ৩১ জুলাই ২০২৩

ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে

বুদ্ধদেব গুহ

৪৯ ভিউ
২১ ডাউনলোড
বইটি ডাউনলোড করুন
ঋজুদা বলল, ‘কি রে? ক্ষিদে পেয়েছে?’

‘তা একটু একটু পেয়েছে বৈ কি।’ আমি বললাম।

‘তাহলে আয় ঐ বড় শিশু গাছটার তলায় বসি।’

ঋজুদা আর আমি প্ৰকাণ্ড গাছটার নীচে একটা বড় পাথরের উপর বসে পড়লাম।

কেন জানি না, ছোটবেলা থেকেই আমি ঋজুদার দারুণ এ্যাডমায়রার। ঋজুদার জন্যে আমি সব কিছু করতে পারি। তাছাড়া ঋজুদাই তো আমাকে শিকার শিখিয়েছে, বন-জঙ্গলকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে; ফুল, পাখি, প্ৰজাপতি সব চিনিয়েছে।

ঋজুদার সঙ্গে বনে-জঙ্গলে ঘুরে না বেড়ালে কখনো জানতে পেতাম না যে, বন্দুকের ট্রিগার টানার চেয়ে, যাদের আমরা সহজে গুলি করে মেরে ফেলি, তাদের চেনা অনেক বড় কথা।

ঋজুদা বিয়ে-থা করেনি। করবেও না।

জঙ্গলে জঙ্গলে কাঠের ঠিকাদারী করে বেড়ায়। পুষ্যির মধ্যে সাত-সাতটা দেশী কুকুর। তাদের নাম রেখেছে সা, রে, গা, মা, পা, ধা, নি।

রাতে চান-টান করে ঋজুদা যখন হাত-পা ছড়িয়ে নিজের ঘরে সব দরজা-জানালা খুলে শুয়ে থাকে তখন সেই সাত-সাতটা কুকুর তার ঘরে, তার খাটের চারপাশে ঘুমোয়। কোনোটা বা হাত চাটে, কোনোটা বা পা, কোনোটা কানের পাশে জিভ দিয়ে সুড়সুড়ি দেয়।

আমরা যখন খাচ্ছি, এমন সময় দূর থেকে ডালপালা ভাঙ্গার কড়মড় শব্দ শোনা গেল।

এই বইটি কি আপনার ভালো লেগেছে?

আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

📜 দাতা সদস্যবৃন্দ

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!